State Times Bangladesh

দেশে ৪১ শতাংশ মোবাইল ব্যবহারকারীর হাতে স্মার্টফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩০, ৩১ মার্চ ২০২১

আপডেট: ০০:৩১, ৩১ মার্চ ২০২১

দেশে ৪১ শতাংশ মোবাইল ব্যবহারকারীর হাতে স্মার্টফোন

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহার করা ৪১ শতাংশের হাতে স্মার্টফোন রয়েছে। এ হার ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এমনকি নেপালের চেয়েও কম। মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএর এক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ‘মোবাইলনির্ভর ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশে মুঠোফোন ব্যবহারের চিত্র ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবার নানা দিক উঠে আসে। 

দেশে মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ১৭ কোটির বেশি। এর মধ্যে ইউনিক ইউজার ৫৪ শতাংশ। ইউনিক ইউজারের ক্ষেত্রে এক ব্যক্তির একাধিক সিম থাকলেও তাকে একজন ধরে হিসাব করা হয়। 

জিএসএমএর প্রতিবেদন বলছে, ভারতে ৬৯, পাকিস্তানে ৫১, নেপালে ৫৩ ও শ্রীলঙ্কায় ৬০ শতাংশ মুঠোফোন ব্যবহারকারীর হাতে স্মার্টফোন রয়েছে। আর বাংলাদেশে ৫৯ শতাংশ মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করে। যদিও দেশে দ্রুতগতির চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবার (ফোর-জি) আওতা বেড়েছে।

জিএসএমএর প্রতিবেদন বলছে, দেশের ২০২০ সাল শেষে দেশের ৯৫ শতাংশ এলাকা ফোর-জির আওতায় এসেছে, যা ২০১৮ সালেও ৭৯ শতাংশ ছিল। ভারতে ৯৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৯৩, পাকিস্তানে ৮০ ও নেপালে ৭৫ শতাংশ এলাকা এখন ফোর-জির আওতায়। 

জিএসএমএর প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে একটি মুঠোফোনের মালিক হতে যে কর দিতে হয়, তা ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি। যেমন বাংলাদেশে টোটাল কস্ট অব মোবাইল ওনারশিপে (টিসিএমও) করহার ৩৫ শতাংশ, ভারতে তা ২৫ ও পাকিস্তানে ২৩ শতাংশ। টিসিএমও হিসাব করা হয়েছে মোবাইল সেট, সিম ও এক গিগাবাইট ডেটার দাম ধরে।

জিএসএমএ বলছে, মোবাইল সেট কেনার ক্ষেত্রে কর একটি অন্যতম বড় অংশ। বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের পাশাপাশি ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক রয়েছে। এর পাশাপাশি সিমের ওপর ২০০ টাকা কর রয়েছে। এ ধরনের কর ইন্টারনেট ব্যবহার উপযোগী মোবাইল সেটের দাম বাড়িয়ে দেয়। 

জিএসএমএ ও বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এতে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিটিআরসির মহাপরিচালক (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ, এটুআই প্রকল্পের নীতি পরামর্শক আনির চৌধুরী, রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, গ্রামীণফোনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জেন বেকার, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেন।