State Times Bangladesh

কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৪৭, ৩১ মে ২০২১

কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম

প্রতীকী ছবি

দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ করা হয়েছে মুমিনের ওপর। প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষ যেখানে যে অবস্থায় থাকুক না কেন, সময়মতো নামাজ আদায় করতেই হয়।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন করেন, নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ। (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)

তাই বৈধ কারণ ছাড়া কোনো নামাজ সময় চলে যাওয়ার পর আদায় করা জায়েজ নেই। কেউ ইচ্ছাকৃত সময়মতো নামাজ আদায় না করলে, তাকে গুনাহগার হতে হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৯৬)

কিন্তু বিশেষ কারণে বা ভুলবশত কোনো ওয়াক্তের নামাজ আদায় করতে না পারলে পরবর্তীতে এই নামাজ আদায় করে দিতে হয়। এই নামাজ আদায়কে কাজা নামাজ বলা হয়। ফরজ কিংবা ওয়াজিব নামাজ ছুটে গেলে, সে নামাজের কাজা আদায় করতে হয়। সুন্নত কিংবা নফল নামাজের কাজা আদায় করতে হয় না।

কাজা নামাজ কীভাবে আদায় করতে হবে, সে বিষয়ে নিচে দেওয়া হলো :  

ইসলামির বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, ঘুমের কারণে যদি নামাজ কাজা হয়, তাহলে যখন ঘুম থেকে উঠবেন, তখনই দেরি না করে পবিত্র হয়ে সেই নামাজের কাজা আদায় করে নিতে হবে। ঠিক একইভাবে, ভুলের কারণে যদি কোনো নামাজ কাজা হয়ে যায়, মনে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নামাজ আদায় করে নিতে হবে। কোনোভাবেই কাজা নামাজ বাড়ানো যাবে না। এটাই সুন্নাত।

*যদি ফজরের সুন্নত ফজরের ফরজসহ কাজা হয়ে যায়, তবে সূর্য হেলার আগে আগে ফরজের সঙ্গে সুন্নতও কাজা করবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৭৫)

*যদি কাজা নামাজ বেশি হয় তখন কাজা পড়ার সময় প্রতিটি নামাজকে পৃথকভাবে কাজা করতে হবে। যদি নির্ধারণ করা কষ্টসাধ্য হয়, তবে এভাবে নিয়ত করবে যে আগে ছুটে যাওয়া জোহরের নামাজ পড়ছি বা পরে ছুটে যাওয়া জোহর বা আসর পড়ছি। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১)