State Times Bangladesh

অতিরিক্ত ঘুম নিয়ন্ত্রণের উপায়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৪৮, ১০ জুন ২০২১

অতিরিক্ত ঘুম নিয়ন্ত্রণের উপায়

প্রতীকী ছবি

কথায় আছে, আহার, নিন্দ্রা ও ভয়-এগুলো যত বাড়াবে ততই হয়। তাই কাজ ফেলে অনেকেই বেশি ঘুমিয়ে থাকেন। ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই কেটে যায় বেলা। কত কী করা হয়ে ওঠে না। করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর এমনটা বেশি হচ্ছে।

একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমালে তা অতিরিক্ত ঘুম হিসেবে ধরা হয়। অতিরিক্ত ঘুমকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় হাইপারসোমনিয়া। দিনে ঘুমের আদর্শ সময় পার করার পরেও যারা আরও ঘুমাতে চায়, তাদের এই রোগটি আছে বলে ধরা হয়। হাইপারসোমনিয়া রোগীর কয়েকটি লক্ষণ হলো : 

*কোনো কিছু নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকা

*শরীরে শক্তি কম থাকা

*স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা থাকা

বিষেজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের ফাঁদ থেকে নিজেকে বের করতে হবে। না হলে বিপদ। কিছুতেই নিজের পছন্দের সব কাজ করে ওঠা হবে না। ফলে মন-মেজাজ খারাপ থাকবে। আত্মবিশ্বাসও কমতে থাকবে। পর্যাপ্ত ঘুম যেমন জরুরি, তেমনই প্রয়োজন ঘুম নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু কীভাবে তা হবে?

ঘণ্টি :  অ্যালার্ম দিলেই তো হলো না। তাতে কাজ হতে হবে। যদি এক ধরনের অ্যালার্মে ঘুম না ভাঙে, তবে দুই-তিন জায়গায় অ্যালার্ম দেওয়া ভালো।  

ছুটির দিনে : অনেকেরই মনে হয় সপ্তাহের একটা ছুটির দিন, বেশি করে ঘুমিয়ে নিলে বাকি ছয় দিন চনমনে থাকা যাবে। এ তথ্য ঠিক নয়। বরং ঘুমের নিয়ম প্রতি দিন এক থাকা প্রয়োজন। শরীর যে মুহূর্তে বেশি ঘুমের আরাম পেয়ে যায়, তখনই তার চাহিদা বাড়তে থাকে।

নিয়মে ঘুম : ঘুম থেকে যদি উঠতে হয় সময় ধরে, তবে শুতে যেতে হবে ঠিক সময়ে। না হলেই বিপদ। শরীর সুস্থ রাখতে ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। তা না হলেই বেশি ঘুমোনোর প্রবণতা বাড়বে। বারবার ঘুমোতে ইচ্ছা করবে কাজের ফাঁকে।

সম্পর্কিত বিষয়: