State Times Bangladesh

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা আবার পেছাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৩৯, ১৩ জুন ২০২১

আপডেট: ২০:৪৩, ১৩ জুন ২০২১

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা আবার পেছাচ্ছে

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পিছিয়ে যাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্থগিত হওয়া পরীক্ষা। আজ রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস সীমিত পরিসরে খোলা রাখার কথা থাকলেও তা স্থগিত করেছেন। আগামী ১৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস খোলা হবে। 

আজ রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক আজিজুর রহমান ‘স্টেট টাইমস বাংলাদেশ’কে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় রাজশাহীতে কঠোর লকডাউন চলছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস আগামী ১৮ জুন থেকে খোলা থাকবে। এছাড়া আগামী ২০ জুন থেকে বিভাগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে লকডাউনের কারণে পরীক্ষা পেছাতে পারে। তবে বিভাগগুলো চাইলে রুটিন পিছিয়ে দিয়ে ওই পরীক্ষা নিতে পারবেন।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয় তার খরচ বহন করবে না। তবে অর্থনৈতিক সমস্যা থাকলে আবেদন করতে হবে।

এদিকে হঠাৎ লকডাউনে পরীক্ষা হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চিয়তায় আছে শিক্ষার্থীরা। ঈদের আগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কি না সে বিষয়ে সন্দিহান তারা।

রসায়ন বিভাগে মোহাম্মদ নূর নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, তার বিভাগে পরীক্ষার তারিখ দেয়া হয়েছে কিন্তু লকডাউন পড়ায় এখন দ্বিধাদ্বন্দে দিন কাটছে তার। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাবিহা আলম মুন্নী  পরীক্ষা নিয়ে তার অনিশ্চিয়তার কথা জানান৷ এতে পড়াশুনার ব্যাঘাত হচ্ছে বলে জানায় সে।

এই বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফজলুল হক বলেন, পরিস্থিতি প্রতিকূল থাকলে পরীক্ষা পেছাইতেই হবে। আগে সীমিত পরিসরে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ছিল এখন তা করা যাচ্ছে না ফলে পরীক্ষা পেছানো ছাড়া উপায় নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান  অধ্যাপক জাহিদ হোসাইন বলেন, আজ কালের মধ্যে আমার বিভাগে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসবে। ইতিমধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের রাজশাহী না আসার জন্য অনুরোধও জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আটকে থাকা পরীক্ষা নিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল কিন্তু তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সবার আগে।

এর আগে শিক্ষার্থীদের অব্যাহত আন্দোলনের মুখে গত ৩ জুন রুটিন উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহার সভাপতিত্বে উপ-উপাচার্য, ডিন ও বিভাগ সভাপতিদের সমন্বিত এক বৈঠকে শিক্ষার্থীদের স্থগিত থাকা পরীক্ষাগুলো নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।