State Times Bangladesh

২৪ মে-ই খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:১৪, ৫ মে ২০২১

আপডেট: ১৮:১৬, ৫ মে ২০২১

২৪ মে-ই খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতীকী ছবি

আগামী ১৭ মে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা এবং ২৪ মে থেকে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পরিষদ।

বুধবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের ভার্চুয়াল এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা রয়েছে।

ছুটি আরও বাড়বে কি-না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে উপাচার্য পরিষদ বৈঠক করেছে।

বৈঠকে উপস্থিত উপাচার্য পরিষদের সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে আগামী ১৭ মে আবাসন হল ও ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব কি-না তা পর্যবেক্ষণ উপাচার্যদের বৈঠক হয়েছে।

যেহেতু করোনার জন্য সরকার দেশে বিধিনিষেধ চলমান রেখেছে, আগামী ১৬ মে পর্যন্ত সেটি বাড়ানো হয়েছে। সে কারণে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

বিধিনিষেধ শেষ হলে উপাচার্যরা আবারও সভা করে তৎকালীন পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে, সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, সরকারের পূর্বের সিদ্ধান্ত সামনে রেখে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ সময়ের মধ্যে যদি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হয়, তবে পাঠদান উপযোগী করে তোলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া করোনা পরিস্থিতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ, বর্তমান টিকা কার্যক্রমসহ করোনাকালীন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলেও সভা সূত্রে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও চুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুর আলম বলেন, করোনা পরিস্থিতি, টিকা কার্যক্রমসহ করোনাকালীন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হবে।

বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো আমরা সরকারের কাছে তুলে ধরবো। এ মুহূর্তে কী করণীয় তা সরকার বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

অন্যদিকে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া যায় কি-না তা নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় খোলা এবং অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে বৃহস্পতিবার।