State Times Bangladesh

মেডিকেলে ভর্তি : প্রতি আসনে লড়বেন ২৮ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৫০, ২ মার্চ ২০২১

আপডেট: ০৯:৫১, ৩ মার্চ ২০২১

মেডিকেলে ভর্তি : প্রতি আসনে লড়বেন ২৮ শিক্ষার্থী

প্রতীকী ছবি

চলতি বছরের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এ বছরের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিসংখ্যান অনুসারে ভর্তি যোগ্য প্রতিটি আসনের বিপরীতে মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেলে ভর্তির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনের সময় সোমবার (১ মার্চ) রাত ১২টায় শেষ হয়েছে। এ বছর মোট আবেদন করেছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬১ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। সামান্য কিছুসংখ্যক আবেদন এখনো লাইনে আছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ইতিহাসে এটি রেকর্ডসংখ্যক আবেদন। গত বছর মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৭২ হাজারের কিছু বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারাদেশে আগামী ২ এপ্রিল এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

দেশে বর্তমানে সরকারিভাবে পরিচালিত মেডিকেল কলেজের মোট সংখ্যা ৩৭টি। এগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৪ হাজার ৩৫০টি। এ বছর ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬১টি আবেদনের হিসাবে এ বছর আসনপ্রতি লড়বে ২৮ জন শিক্ষার্থী।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের চিকিৎসা, শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ সব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, এ বছরের পরীক্ষায় ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬১টি আবেদনের মধ্যে ঢাকা মেডিকেলে ১৬ হাজার, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে ৭ হাজার, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে ১২ হাজার, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ৫২৯, চট্টগ্রামে ১০ হাজার ৮৮৬, রাজশাহীতে ১০ হাজার ২৬০, সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজে ৪ হাজার ৮৯৭, বরিশালে ৩ হাজার, রংপুরে ৭ হাজার, কুমিল্লায় ৫ হাজার, খুলনায় ৫ হাজার, বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার, ফরিদপুরে ৩ হাজার ৪৪৮, দিনাজপুরে ৩ হাজার, পাবনায় ২ হাজার, কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলামে ১ হাজার ৭৪১, মুগদা মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার, গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুনে ২ হাজার এবং ঢাকা ডেন্টালে ৫ হাজার জন।

এ বছর এত বেশি পরীক্ষার্থী কেন জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আহসান হাবিব বলেন, মহামারি করোনার কারণে এ বছর এইচএসসিতে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীকে আগের ফলাফল অর্থাৎ জেএসএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল (অটো পাস) দেয়া হয়। ফলে এ বছর রেকর্ডসংখ্যক পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।