State Times Bangladesh

ঢাবির হল খুলবে ১৭ মে, টিকা নিতে হবে এক মাস আগে : ঢাবি ‍উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:০৫, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১৬:৫৩, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ঢাবির হল খুলবে ১৭ মে, টিকা নিতে হবে এক মাস আগে : ঢাবি ‍উপাচার্য

উপাচার্য ড. আক্তারুজ্জামান

স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলেও মহামারিতে জাতীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে ১৭ মে হল খোলা হবে ও একসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হবে ২৪ মে থেকে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ড. আক্তারুজ্জামান।

এছাড়া শিক্ষার্থীদেরকে হল খোলার ১ মাস আগে অর্থাৎ, আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আগামী ১৭ মের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের বড় (চূড়ান্ত) পরীক্ষা হবে না। ১৭ এপ্রিলের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিকার প্রথম ডোজের কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবং ১৭ মে হলে ওঠার দুই সপ্তাহ পর পরীক্ষা ও স্বাভাবিক শ্রেণির কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে। ১৩ মার্চ আবাসিক হল খোলার এবং পরবর্তীতে চূড়ান্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বাতিল হয়েছে।

ঢাবি ভিসি আরও বলেন, ঢাবি হলে ওঠার ক্ষেত্রে পূর্বশর্ত হলো টিকা নিতে হবে। এক্ষেত্রে যাদের শারীরিক সমস্যা আছে, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

ফেব্রুয়ারির মধ্যেই হল খুলে দিতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে ঢাবির বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা৷ এর পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা শিগগির সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে জানাব।’

হল খোলার জন্য শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটামের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা সবসময় যৌক্তিক অবস্থানে থাকে। নিয়ম শৃঙ্খলা অনুসরণ করে। যখন তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের সুরক্ষা দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের মূল্যবোধ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি নেই। এ বিষয়টি তারা বিবেচনা করবেন। পিছিয়ে যাওয়া সময় পুষিয়ে দেওয়ার প্রয়াস আমাদের থাকবে।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবসিক হল খুলে দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশ শেষে সকল বর্ষের জন্য হল খুলে দেয়ার দাবিতে উপাচার্যের কাছে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সম্পর্কিত বিষয়: