State Times Bangladesh

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ইমনের মুক্তি দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২১

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ইমনের মুক্তি দাবি

ফারুক ইমন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাণিজ্যিক সান্ধ্যকোর্সবিরোধী আন্দোলনের নেতা ফারুক ইমনকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে অতিদ্রুত মুক্তি দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক অন্তু বিশ্বাসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর নিজ বাড়ি থেকে ফারুক ইমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত ফি ও বাণিজ্যিক সান্ধ্যকোর্সবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার কর হয়। ফারুক ইমন তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্র ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশরাফুল আলম সম্রাট ও  সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন এক যৌথ বিবৃতি দিয়ে জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিকে বেশ কিছু বিভাগে শিক্ষার্থীদের সামর্থ্যের কথা বিবেচনা না করে বেতন ফি বৃদ্ধি করে শিক্ষা জীবন চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়কে সার্টিফিকেট বিক্রির দোকান বানানোর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন ছাত্র নেতা ফারুক ইমন, গোলাম মোস্তফা, উৎসব মোসাদ্দেকসহ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও প্রোক্টরিয়াল বডি সশস্ত্রভাবে ছাত্রদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে।

তারা আরও জানান, তাদের হামলায় অনেক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এতে আন্দোলন আরও তীব্র হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ ছাত্রনেতাদের ওপর মামলা করে আন্দোলন বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টা চালায়। যেই মামলার একটি নিষ্পত্তি হয় এবং অপরটি এখন চলমান। চলমান মামলা থেকে ফারুক ইমনের ওপর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে তাকে নিজ বাড়ি থেকে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করা হয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষে আন্দোলন করতে গিয়ে ফারুক ইমনকে এভাবে হেনস্থা করার তীব্র নিন্দা জানাই।  

অতিদ্রুত ফারুক ইমনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। অন্যথায় আবার শিক্ষার্থীদের নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।