State Times Bangladesh

পায়ে ধরে প্রবীণ নেতাকে প্রতিনিধি সভায় ফেরালেন প্রতিমন্ত্রী পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮:৪৫, ১৬ নভেম্বর ২০২০

আপডেট: ১৩:৩১, ১৬ নভেম্বর ২০২০

পায়ে ধরে প্রবীণ নেতাকে প্রতিনিধি সভায় ফেরালেন প্রতিমন্ত্রী পলক

নাটোরের নবব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ মিলনায়তনে চলছিল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ প্রতিনিধি সভা। অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণ পর রাগ-অভিমান করে সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যেতে ধরেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান খান।

এ সময় সাজেদুর রহমান খানের পায়ে ধরে অনুষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। রোববার বেলা ১১টার দিকে সভার কাজ শুরু হওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটে।

সেখানে কী হয়েছিল

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে জানান, রোববার বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু হলে আমন্ত্রিত অতিথিরা মঞ্চে ওঠেন। এ সময় দলের পক্ষ থেকে সকলকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরিচয়পর্বের শেষ দিকে মাইকে সাজেদুর রহমান খানের নাম ঘোষণা করা হলে তিনি দর্শক সারির চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান। এ সময় চলে যেতে উদ্যত হলে মঞ্চে উপস্থিত নেতারা তাকে বসতে বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক আরও জানান, জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সাজেদুর রহমান খান তবুও মিলনায়তনের গেট পর্যন্ত চলে আসেন। এ সময় দ্রুতগতিতে মঞ্চ থেকে নেমে দৌড়ে গেটের কাছে উপস্থিত হন পলক। সাজেদুর রহমান খানের কাছে এসে তাকে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন। তিনি তাতেও রাজি না হলে শত শত ডেলিগেটের সামনে সেই প্রবীণ নেতার দুই পা চেপে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তখন সাজেদুর রহমান খান ফিরে আসেন এবং মঞ্চে তার আসনের ব্যবস্থা করা হয়।

এ বিষয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘জ্ঞান, সম্মান আর ভালোবাসা এমন তিনটি জিনিস, যা মানুষকে দিলে কখনো কমে না, বরং বাড়ে৷ মানুষকে সম্মান করলে, ভালোবাসলে প্রতিদানে মানুষও সম্মান এবং ভালোবাসাই ফিরিয়ে দেয়।’

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং নাটোর-২ (সদর) আসনের এমপি ও দলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুলের সঞ্চালনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) এসএম কামাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আখতার জাহান, এমপি শহিদুল ইসলাম বকুল, সংরক্ষিত আসনের এমপি রত্না আহমেদ, সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

 

সম্পর্কিত বিষয়: