State Times Bangladesh

সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা থাকবে শিল্প কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৩৪, ১১ এপ্রিল ২০২১

আপডেট: ১৯:৩৬, ১১ এপ্রিল ২০২১

সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা থাকবে শিল্প কারখানা

প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ পোশাক কারখানাসহ সব শিল্প কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শিল্প মালিকদের এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছে।

রোববার বিকেল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে শিল্প মালিকদের। সেখানে এই সিদ্ধান্ত এসেছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিজিএমইএ’র নব নির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান।

পোশাকশিল্প মালিকেরা দাবি করেন, কারখানা বন্ধ করলে ক্রয়াদেশ হারাবে বাংলাদেশ। তা ছাড়া শ্রমিকেরা ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দিলে সংক্রমণ আরও ছড়াবে।

সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সরকার কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে। আমরা বলেছি শ্রমিকদের গড় বয়স ২৩.৯ বছর। এ বয়সীদের করোনা আক্রান্তের হার .০৩ শতাংশ। এ কারণে শ্রমিকরা কম আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারকে এটি বুঝিয়েছি। এছাড়া ১৪ তারিখ থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। কারখানা ছুটি দিলে শ্রমিকরা ভোগান্তিতে পড়বে।

তিনি বলেন, ‘লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।’

বিজিএমইএ’র সভাপতি আরও বলেন, ‘আমরা কারখানায় আগের চেয়ে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করবো। এ ব্যাপারে শ্রমিকদের আরও সচেতন করা হবে। আর ছুটি পেয়ে শ্রমিকরা গ্রামে গেলে গ্রামেও করোনা সংক্রমের আশঙ্কা রয়েছে। সব মিলিয়ে কারখানা খোলা থাকছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’

অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ হাতেম, এফবিসিসিআই’র সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, নব-নির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান ও বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

এর আগে আজ দুপুরে লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানায় পোশাক খাতের চার সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও ইএবি।

সম্পর্কিত বিষয়: