State Times Bangladesh

টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৪৪, ৮ এপ্রিল ২০২১

আপডেট: ১২:৫৩, ৮ এপ্রিল ২০২১

টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু

সারাদেশে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৫৫ লাখ ৬৮ হাজার ৭০৩ জন করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। সমসংখ্যক মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কিন্তু এরই মধ্যে ভারত টিকা রপ্তানি স্থগিত করেছে। টিকা চেয়ে বাংলাদেশের দেওয়া চিঠির জবাব এখনও পর্যন্ত দেয়নি ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। এমন অবস্থায় অনিশ্চয়তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা ও উপহার মিলে এ পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসের টিকা এসেছে এক কোটি দুই লাখ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়ার পর সরকারের হাতে মজুদ আছে ৪৬ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ ডোজ। ঘাটতি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৬ ডোজ। এর মধ্যেই আবার ভারত সরকার রপ্তানি স্থগিত করায় টিকা পাওয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

আজ সকাল থেকে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একযোগে শুরু হচ্ছে করোনার ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কর্মসূচি। প্রথম ডোজ দেওয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সব জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীরা এ বিষয়ে পুরোপুরি তৈরি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভ্যাকসিনের ভায়েল মজুত আছে সবখানেই। যদিও গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় দ্বিতীয় ধাপের ভ্যাকসিন পৌঁছানো শুরু করলেও সবখানে এখনও দ্বিতীয় চালানটি পৌঁছাতে পারেনি বেক্সিমকোর ভ্যাকসিন সরবরাহকারী গাড়ি। তবে আগামীকাল শুক্রবারসহ পরের সপ্তাহজুড়েই সব জেলায় ভ্যাকসিন পৌঁছানোর পরিকল্পিত লক্ষ্য নিয়েই সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে গতকাল বুধবার বিকেলের মধ্যে সারাদেশে টিকা পৌঁছে গেছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি টিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন যারা টিকা নিয়েছিলেন, আজ তারা সবাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবেন।

তবে অনেকে বলেছেন, ভারত থেকে সময়মতো টিকা না এলে প্রথম ডোজ নেওয়া মানুষ বিপদে পড়বে। সুতরাং সরকারের উচিত প্রথম ডোজ বন্ধ রেখে দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা।

এদিকে, করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়া ও হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ায় অনেকেই এখন হাসপাতালে যেতে ভয় পাচ্ছেন। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও কিছু মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে অনেকে সংশয়ে ভুগছেন। এ ছাড়া সামনে রমজান মাস। তাই দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভীষণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে প্রতিটি জেলার ভ্যাকসিন কর্মসূচি সংশ্লিষ্টদের।